ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ , ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রবাসীদের প্রণোদনা নামে ভাওতাবাজি বন্ধ করুন - আমরা কি চাই সেটা জানতে হবে এবং বুঝতে হবে, আমাদের ছয় দফা দাবি মানতে হবে. Advocate ANM Essa.

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১২:৪৮:২২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৩-০৬-২০২৬ ১২:৪৮:২২ অপরাহ্ন
প্রবাসীদের প্রণোদনা নামে ভাওতাবাজি বন্ধ করুন - আমরা কি চাই সেটা জানতে হবে এবং বুঝতে হবে,  আমাদের ছয় দফা দাবি মানতে হবে. Advocate ANM Essa. দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি 13.06.2026 বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের সংগঠন “দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ”-এর প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেছেন, প্রবাসীদের নামে একের পর এক ঘোষণার বন্যা বইয়ে দেওয়া হলেও আজ পর্যন্ত কেউ প্রকৃত অর্থে প্রবাসীরা কী চায়, তাদের প্রকৃত দাবি কী, তা জানার আন্তরিক চেষ্টা করেনি। তিনি বলেন, গত কিছুদিন ধরে আমরা শুনে আসছি—প্রবাসীদের জন্য নতুন কার্ড দেওয়া হবে, নতুন কমিশন দেওয়া হবে, নতুন সুবিধা দেওয়া হবে, নতুন নম্বর চালু করা হবে, পাসপোর্ট সহজ করা হবে, বিমানবন্দরে সহায়তা দেওয়া হবে ইত্যাদি। এসব ঘোষণা সংসদের ভেতরে হোক কিংবা বাইরে, প্রতিনিয়ত আমাদের কানে পৌঁছাচ্ছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে বিশ্বের ১৯৫টি দেশে অবস্থানরত কোটি কোটি প্রবাসী বাংলাদেশির প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনো অর্থবহ আলোচনা করা হয়নি। অ্যাডভোকেট ঈসা বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের কষ্টার্জিত রেমিটেন্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সমৃদ্ধ করে, অর্থনীতিকে সচল রাখে এবং জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অথচ যখন তাদের ভবিষ্যৎ, নিরাপত্তা, কল্যাণ ও মর্যাদার প্রশ্ন আসে, তখন তাদের মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো দান চাই না, করুণা চাই না, লোক দেখানো প্রণোদনাও চাই না। আমরা চাই আমাদের ন্যায্য অধিকার। আমরা চাই এমন নীতিমালা, যা একজন প্রবাসীর জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে। দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে উত্থাপিত ৬ দফা দাবির কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের দাবিগুলো হলো: ১. প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের জন্য একটি স্থায়ী পেনশন স্কিম চালু করতে হবে, যাতে দীর্ঘদিন বিদেশে শ্রম দিয়ে দেশে ফিরে কেউ অসহায় জীবনযাপন করতে না হয়। ২. বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে এবং দালাল ও সিন্ডিকেট নির্ভর প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। ৩. আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী যুগোপযোগী শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪. দেশে ও বিদেশে প্রবাসীদের জীবন, সম্পদ ও মর্যাদার পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ৫. জরুরি দুর্ঘটনা, মৃত্যু ও মানবিক সংকট মোকাবিলার জন্য একটি শক্তিশালী প্রবাসী কল্যাণ ও জরুরি সহায়তা তহবিল গঠন করতে হবে। ৬. প্রবাসীদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ১০ জন সংসদ সদস্য এবং একজন মন্ত্রীর পদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বলেন, প্রবাসীদের প্রকৃত সমস্যার সমাধান না করে শুধুমাত্র নতুন নতুন ঘোষণা দিয়ে তাদের সন্তুষ্ট করা যাবে না। যারা বছরের পর বছর পরিবার থেকে দূরে থেকে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে, তাদের সঙ্গে পরামর্শ না করে নেওয়া সিদ্ধান্ত কখনোই টেকসই হতে পারে না। অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রবাসীদের সম্পর্কে কোনো নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের আগে তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসুন। আমাদের কথা শুনুন, আমাদের বাস্তবতা বুঝুন, আমাদের দাবিগুলো বিবেচনা করুন। কারণ প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নের অংশীদার, শুধুমাত্র অর্থ পাঠানোর যন্ত্র নয়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “আমাদের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে সুস্পষ্ট অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো ঘোষণায় সন্তুষ্ট বা খুশি হতে পারি না। প্রবাসীদের প্রকৃত চাওয়া-পাওয়ার প্রতি সম্মান দেখাতে হবে এবং তাদের মর্যাদার সঙ্গে আচরণ করতে হবে।” প্রকাশক:অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আন্তর্জাতিক দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ (IRJP) (International Remittance Juddah Parliament) desh.bondhu@hotmail.com এম এ রউফ (কাতার)সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি roufnasrin@gmail.com 00974 66958035

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ